ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার উপায়

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার উপায়

আপনি যদি অনলাইন থেকে সহজে ইনকাম করতে চান তবে ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার কৌশলগুলো আপনাকে জেনে রাখা উচিত। ফ্রিল্যান্সিং জগতে WordPress এর একটি অনন্য নাম।

বাংলাদেশ এবং ভারত সহ পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই ওয়ার্ডপ্রেস এর চাহিদা গগনচুম্বী।

প্রতি বছর সারা বিশ্বব্যাপী ওয়ার্ডপ্রেসের উপর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হয়।

আমিও সাধারণত একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার। প্রায় ৬ বছরের বেশী সময় ধরে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করছি।

অনেক বন্ধুরা হয়ত “WordPress কি” এই বিষয়টা বুঝতে পারেননি।

চলুন শুরুতেই ওয়ার্ডপ্রেস কাকে বলে তা ছোট্ট করে জেনে নিই।

ওয়ার্ডপ্রেস কি?

WordPress হলো একটি ফ্রি ওপেন সোর্স ব্লগিং টুল, যা PHP ও MySQL এর সমন্বয়ে গঠিত।

ওয়ার্ডপ্রেস মূলত একটি CMS সফটওয়্যার।

CMS এর পূর্ণরূপ হলো কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Content management system).

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় CMS সফটওয়্যার হলো WordPress.

ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট রয়েছে তার ৪.৭% ওয়েবসাইট শুধু WordPress প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

বিষয়টা এমন হয়ে গেছে যে ”সবার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস”।

আপনি এই মূহুর্তে যে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেলটি পড়ছেন, এই ওয়েবসাইটটিও WordPress CMS সফটওয়্যার দ্বারা নির্মিত।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার উপায়

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয়
ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে আয় করা যায়।

একজন সাধারণ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে এডভান্স লেভেলের ব্যবহারকারী পর্যন্ত প্রায় সকল ব্যবহারকারীদের জন্যই WordPress থেকে আয় করার সুযোগ রয়েছে।

ব্যবহারকারীদের উপর ভিত্তি করে ওয়ার্ডপ্রেস শিক্ষাকে দুটি ভাগে বিভিক্ত করা যায়।

  • বেসিক থেকে মধ্যম লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ।
  • এডভান্স লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ।

১. বেসিক থেকে মধ্যম লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস

কেউ যদি WordPress মোটামুটি চালাতে জানে, কিন্তু খুব বেশী বুঝে না তবে তাকে বেসিক থেকে মধ্যম লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হিসেবে ধরা যায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীদের প্রায় ৯০% মানুষই বেসিক এবং মধ্যম লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস জানে।

তাদের WordPress অভিজ্ঞতা থেকে যেই ধরণের কাজ করে আয় করতে পারেন তা হলোঃ

  1. ব্লগিং করে আয়।
  2. ই-কমার্স বা প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয়।
  3. কোন বিষয়ে সার্ভিস অফার করে আয়।

বুঝার সুবিধার্থে প্রত্যেকটা বিষয়ের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ করা করা যেতে পারে।

(১) ব্লগিং করে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো ব্লগিং বা লেখালেখি বিষয়ক কোন কাজ।

আপনার যদি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট থাকে তবে আপনি বিভিন্ন উপায়ে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং মানেই লেখালেখি স্কিলের উপর একটি মুক্ত পেশা।

আমি সাধারণত অন্যান্য কাজের পাশাপাশি ব্লগিং করি। আইটি নির্মাণ এই ওয়েবসাইটিও একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট এবং এটি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস CMS সম্পর্কে মোটামুটিও ধারণা রাখেন, তবে আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে ব্লগিং করতে পারেন।

ব্লগিং অত্যন্ত লাভজনক এবং দীর্ঘমেয়াদী অনলাইন ইনকাম এর একটি পদ্ধতি।

ইতোমধ্যেই ব্লগিং থেকে কিভাবে আয় করা যায় তার উপর আর্টিকেল প্রকাশ করেছি।

(২) ই-কমার্স বা প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয়

বর্তমান সময়ের অনলাইন বাণিজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ই-কমার্স বা অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি।

অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রির বিষয়টিকেই ই-কমার্স ব্যবসা বলা হয়।

ওয়ার্ডপ্রেস এমন শক্তিশালী একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার মাধ্যমে যে কোন ধরণের ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

আপনি নিজে যদি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করতে না জানেন, তবে কোন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারকে দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নিতে পারেন এবং আপনার ই-কমার্স ব্যবসাটি পরিচালনার মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয় করতে পারবেন।

(৩) কোন বিষয়ে সার্ভিস অফার করে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যে কোন ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

আপনি যদি কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ হন তবে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে একটি সার্ভিস ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার কাঙ্খিত সার্ভিসটি গ্রাহকদেরকে অফার করার মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আয় করতে পারবেন।

এই বিষয়ে ধারণা নেওয়ার জন্য এটি দেখুনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন সার্ভিস

একজন বেসিক এবং মধ্যম লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হিসেবে এই ধরণের কাজ করে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয় করতে পারে।

কিন্তু আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার জন্য মোটামুটি এডভান্স লেভেলের বিষয়াদি আয়ত্ব করতে পারেন, তবে WordPress প্লাটফর্মে কাজ করে বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারবেন।

২. এডভান্স লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস

এডভান্স লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী বলতে যারা ওয়ার্ডপ্রেস এর অভার অল বিষয়াদি জানেন।

যেমনঃ থিম তৈরি, প্লাগইন তৈরি, থিম-প্লাগইন কাস্টোমাইজেশন, সিপ্যানেল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন এবং ওয়ার্ডপ্রেস এর বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

তাদেরকেই এডভান্স লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হিসেবে নির্ণয় করা যায়।

আর এই ধরণের ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন উপায়ে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আয় করতে পারেন।

তারমধ্যে যেমনঃ

  1. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয়।
  2. ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন করে আয়।
  3. ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট করে আয়।
  4. ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন ডেভেলপমেন্ট করে আয়।

বুঝার সুবিধার্থে সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ করা হলো।

(১) ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয়

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য বেশ কিছু বিষয়ের জ্ঞান এবং কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।

যেমন, ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ডোমেইন, হোস্টিং, সিপ্যানেল, থিম এবং প্লাগইন এর ব্যবহার জানতে হয়।

সাধারণত এই বিষয় গুলো সবাই জানে না ।

যারা জানেন তারা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন ইন্টারন্যাশাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করে মাসে হাজার ডলারও ইনকাম করছে।

এমন সফল ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশেই অগণিত রয়েছে।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরির বিষয়যাদি আপনিও জেনে নিতে পারেন।

(২) ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন করে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস এর একটি ছোট্ট ক্যাটাগরি হলো ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন।

এই কাজটি অনেক ছোট হলেও এর অনেক ডিমান্ড রয়েছে।

আপনি যদি ০/২ দিন বিভিন্ন ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশনের উপর প্রাক্টিস করতে পারেন তবে এই বিষয়টি আপনি মোটামুটি আয়ত্ব করে নিতে পারবেন।

ইন্টারন্যাশানাল মার্কেটপ্লেস গুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশনের উপর অনেক কাজ পাওয়া যায়।

তাছাড়া, আপনি চাইলে লোকাল মার্কেটেও এর উপর কাজ করে আয় করতে পারবেন।

(৩) ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট করে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট মানে নতুন থিম তৈরি এবং থিম সংযোজন করার কাজ।

এটি করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন কোডিং নলেজ আয়ত্ব করতে হবে।

তারমাধ্যে যেমনঃ

HTML, CSS, JavaScript, jQuery, PHP ইত্যাদি।

একজন ওয়েব ডিজাইনার এই সমস্ত কোডিংয়ের নলেজ রাখেন।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেসের এমন এডভান্স লেভেলের কাজ জানা অনেকটা সৌভাগ্যের ব্যাপার বলা যায়।

(৪) ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন ডেভেলপমেন্ট করে আয়

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন ডেভেলপমেন্ট এর বিষয়টা থিম ডেভেলপমেন্ট এর পর্যায়ের।

আপনি যদি HTML, CSS, JavaScript, jQuery, PHP ইত্যাদি এই সমস্ত কোডিং নলেজ আয়ত্ব করতে পারেন তবে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয় করার যত এডভান্স লেভেলের কাজ আছে, তা আপনি করতে পারবেন।

এডভান্স লেভেলের কাজ গুলোর মধ্যে যেই ৪ টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো মূলত ওয়েব ডিজাইনারের কাজ।

এগুলো ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার আরো অনেক এবং অগণিত পদ্ধতি রয়েছে।

এমনও মানুষ আছেন, যারা ওয়ার্ডপ্রেস এর ছোট্ট ক্যাটাগরির উপর কাজ করে ইন্টারন্যাশানাল মার্কেটপ্লেস থেকেও ডলার আয় করছে।

তাদের কাজ গুলো এমনঃ ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে গুগল এনালাইটিক্স সেটআপ করে দেওয়া, গুগল সার্চ কনসোল  এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট সাবমিট করে দেওয়া, ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি এবং ক্যাচিং প্লাগইন সেটআপ করে দেওয়ার কাজ।

আবার অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস স্পিড অপটিমাইজেশন এর উপরও কাজ করেন।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে এমন আরো বিষয় আছে, যেগুলোতে হাজার হাজার মানুষ কাজ করে আয় করছেন।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কি কি লাগে?

ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে শিখব
ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে শিখব

এই প্রশ্নটি প্রায় অনেকেই করেন। প্রশ্নটির সাধারণ উত্তর হলো ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য খুব বেশী একাডেমিক শিক্ষার প্রয়োজন নেই।

আপনি যে কোন শ্রেণী-পেশার মানুষ হন না কেন, প্রাক্টিসের মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারবেন।

তবে হ্যাঁ, আপনি কোন লেভেলের ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে চান সেটার উপর প্রশ্নটির সুস্পষ্ট উত্তর নির্ণয় করতে হবে।

অর্থাৎ, ওয়ার্ডপ্রেসকে আপনি সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য শিখতে চান নাকি এডভান্স শিখে সার্ভিস দিতে চান?

সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য যে কোন মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারবেন। পূর্ব অভিজ্ঞতা বা খুব বেশী জ্ঞানী হওয়ায় প্রয়োজন হবে না।

তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর এডভান্স অর্থাৎ কোডিংয়ের বিষয়াদি সহজে শেখার জন্য আপনাকে মোটামুটি ভাবে ক্লাস নবম এবং দশম শ্রেণির গণিত গুলোর উপর ধারণা রাখা উচিত।

কেননা, আপনি যখন ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করতে গিয়ে PHP ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহার করতে যাবেন, তখন গাণিতিক কিছু হিসেব আছে যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আপনাকে PHP কোডিং লিখতে হবে।

“ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কি কি লাগে” এই প্রশ্নটির আরেকটি উত্তর হলোঃ ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস যেহেতু ওয়েব সফটওয়্যার, তাই এই সফটওয়্যারকে রান করতে একটি সার্ভার এর প্রয়োজন হবে।

সার্ভার আপনি দুই ভাবে পেতে পারেন।

  • ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করে।
  • কম্পিউটারে Xammp ইনিস্টল দিয়ে।

ওয়েব হোস্টিং এর সার্ভার দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য আপনার কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে ইন্টারনেট সংযোগ অবশ্যই প্রয়োজন হবে।

আর Xammp সার্ভার বা লোকাল সার্ভারের মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস শেখার করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট সংযোগের কোন প্রয়োজন হবে না।

নতুনদের জন্য সাজেশন হলো ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য শুরুতেই ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করার প্রয়োজন নেই।

আপনি আপনার কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ এর মাধ্যমে Xammp নামক সফটওয়্যারটি দিয়ে লোকাল সার্ভার সেটআপ করে নিন সম্পূর্ণ ফ্রিতেই।

তারপর সেই সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনিস্টল দিয়ে কাজ শিখতে পারেন।

শেষ কথাঃ

প্রিয় পাঠক, ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার যত উপায় আছে তার সমস্ত বিষয়াদি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

এই বিষয়গুলো ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রস থেকে আয় করার জন্য আরো বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে সামান্য ঘাটাঘাটি করেন তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর অভার অল বিষয়াদি উপর প্রচুর জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।

মনে রাখবেন, ওয়ার্ডপ্রেস এর অভার অল কাজ সমূহ জানা ওয়েব ডিজাইনের অন্তর্ভূক্ত।

আপনি যদি WordPress ভালো করে শিখতে পারেন তবে ওয়েব ডিজাইনের উপর কাজ করে আপনি অগণিত উপায়ে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আয় করতে পারবেন।

যদি এত এডভান্স নাও শিখতে পারেন, তবুও কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আয় করার সুযোগ রয়েছে। উপরে এই বিষয়ে আলোচনাও করা হয়েছে।

আপনার যদি “ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয়” করার বিষয়ে আরো কোন প্রশ্ন থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

NAZIRUL ISLAM NAKIB

যত জ্ঞান-ধন করেছি অর্জন জীবনের প্রয়োজনে,
তার সবটুকুই বিলাতে চাই সৃষ্টির কল্যাণে।

Add comment

error: Content is protected !!