The big bang theory বিগ ব্যাং তত্ত্ব

The big bang theory | বিগ ব্যাং তত্ত্ব – Scientific Quran

The big bang theory (বিগ ব্যাং তত্ত্ব ) মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। মহাবিশ্ব সৃষ্টির তথ্য অনেকের কাছেই রহস্যময়। তবে যারা আধুনিক বিজ্ঞানের ছাত্র তারা অবশ্যই জানে পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টি তথ্য নিয়ে যারা গবেষণা করে তাদের কাছে এই তথ্য মোটেও অজানা নয়। প্রযুক্তির কল্যাণে বিগ ব্যাং তত্ত্ব আজ সবারই হাতের নাগালে রয়েছে। তবুও অনেক মানুষ রয়েছে যাদের কাছে এই তথ্য এখনো পৌঁছায়নি।

আজ আমরা জানবো:
What is The big bang theory? / বিগ ব্যাং তত্ত্ব কি?
সাইন্টিফিক কুরআনের আলোকে বিগ ব্যাং তত্ত্ব (The big bang theory )।

বিগ ব্যাং তত্ত্ব কি?

মহাবিশ্বের উৎপত্তির বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে বিগ ব্যাং তত্ত্ব (The big bang theory ) বলে। বিজ্ঞান ডেভোলাপ হওয়ার অনেক পরে পৃথিবী সৃৃষ্টি ও মহা বিস্ফোরণ তথা বিগ ব্যাং তত্ত্ব-এর বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী Gorge Lemaitre  ৯২৭ সালে Big Bang Theory সম্পর্কে তথ্য দিয়েছিলেন। এই তথ্যের গবেষণায় ৯৯৮ সালে বিজ্ঞানী Stephen Hawking বিগ ব্যাং তত্ত্ব -এর ব্যাখ্যা করেন।

বিগ ব্যাং তত্ত্ব The big bang theory(এস্ট্রোলজি ) তথা সৃষ্টি তথ্যের গবেষণায় একদল বিজ্ঞানি ৯৬ সালের ২ এপ্রিলে ‘ইউরি গ্যাগারিন’ নামক এক রাশিয়ান মহাকাশচারীকে  প্রথম মহাকাশে পাঠান । যদিও তার আগে স্পুৎনিক ১, স্পুৎনিক ২ এর পরীক্ষামূলক কাজ করা হয়েছিল।এর পর থেকে বেশকিছু বার The big bang theory (বিগ ব্যাং তত্ত্ব) গবেষণায় বিভিন্ন নভোচারী মহাকাশে যান এবং মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করেন। তাদের মহাকাশ গমনে ঘটে যাওয়া তথ্যগুলো বিভিন্নভাবেই পৃথিবীবাসীর কাছে তোলে ধরেছেন।

তাদের দেওয়া তথ্যগুলো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে এবং র্দীঘ সময় মহাকাশ র্পযবেক্ষণ ও পরীক্ষামূলক উপাত্ত দ্বারাও তা প্রমাণিত করেছেন। বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী আজ থেকে প্রায় এক হাজার ৩৭৫ কোটি বছর আগে এই মহাবিশ্ব একটি মহা বিষ্ফোরণ বা অতি ঘন অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। এই তথ্যটি আমরা পেয়েছি ৯২৭ সালে।

অথচ, মহাবিশ্বের সৃষ্টিতথ্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ ৫০০ শত বছর আগেই আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে ছিলেন।
পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর ঐশি বাণী পবিত্র কুরআনের সূরা আম্বিয়ার ৩০ নং আয়াতে অবিশ্বাসীদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন: কাফেররা কি দেখেনা,আসমান-জমিন সবকিছুই একসাথে মিলেঝিলে ছিল, তারপর আমি তাদেরকে পৃথক করে দিয়েছি। এই কথাটি The big bang theory তথা বিগ ব্যাং তত্ত্ব সম্পর্কেই বলা হয়েছে।

এখন স্যাটেলাইটের যুগ। মহাকাশ সম্পর্কে আরো অজানা তথ্য নিয়মিতই প্রকাশ হচ্ছে। বিজ্ঞান যত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কুরআন ততই বিজ্ঞানময় প্রমাণিত হচ্ছে। আশ্চর্যকর এই কিতাবের সাইন্টিফিক তথ্যের গভীরতা সম্পর্কে বিভিন্ন বিজ্ঞানী আজ গবেষণা করছেন।

মুসলমানদের ধর্মীও গ্রন্থের উপর বিভিন্ন গবেষণা করে বিধর্মীরা বিজ্ঞানে আজ অনেক ডেলোলাপ। অথচ, মুসলমানেরা কুরআন নিয়েও গবেষণা করার সময় পায় না। মুসলিম সমাজে পর্যাপ্ত গবেষণা না থাকার কারণে বিজ্ঞানে মুসলমানরা অনেক পিছিয়ে গেছে। এই সংকট মোকাবেলায় মুসলমানদেরকে অবশ্যই কুরআনিক সাইন্স সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে। তবেই মুসলমান সোলানী অতীত ফিরে পাবে ইনশাআল্লাহ।

It Studio

Add comment

error: Content is protected !!