ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায় জেনে নিন

ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায় জেনে নিন

ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায় | রোগ প্রথমে শরীরের অভ্যন্তর থেকেই সৃষ্টি হয়। ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে শরীরে ফোঁড়া এবং ব্রণ দেখা দেয়। ফোঁড়া এবং ব্রণ যখন তকের বিভিন্ন জায়গায় দেখা দেয় তখনই কেবল অনুভব করতে পারি। ব্রণের চেয়ে ফোঁড়ার আকারটা একটু বড়। তবে শরীরের যেই অংশেই ফোঁড়া বা ব্রন হয় সেই জায়গাটুকু একটু ফুলে যায়।

ফোঁড়া আক্রান্ত স্থানে অনেক ব্যথা হয়। মাঝে মাঝে ব্রণ আক্রান্ত স্থানেও ফোঁড়ার ব্যথা অনুভব হয়। ফোঁড়া ও বিষফোঁড়া শরীরে না বসিয়ে বরং পাকিয়ে নষ্ট রক্ত, পুঁজকে বাহির হতে দেওয়াই মঙ্গলজনক। যদিও একটু ব্যথা বা কষ্ট অনুভব হবে।

আমরা এখন কিছু ঘরোয়া ঔষধের ব্যবহার সম্পর্কে জানবো, যে ঔষধগুলো যুগ যুগ ধরে ফোঁড়া ও ব্রণ নিরাময়ে ব্যবহৃত হচ্ছে। সঠিক পদ্ধতিতে সেই ঘরোয়া ঔষধগুলো ব্যবহার করে ফোঁড়া ও ব্রণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

▶️ হার্টের প্রধান শত্রু লবণ !

ব্রণ দূর করার ক্রিম নিয়ে সতর্ক হোন!

আধুনিক এই যুগে ফোঁড়া ও মুখের ব্রণ দূর করার জন্য বিভিন্ন ক্রিম, মেডিসিন ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে অনেক সময় ক্রিম ও মেডিসিন ব্যবহারে পার্শ-প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং ত্বকে, শরীরে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। এটা হওয়ার কারণ হলো বেশীর ভাগ ক্রীম বা ত্বকে ব্যবহৃত মেডিসিনগুলো কোন ট্রাস্টেড কোম্পানি থেকে আসে না!

বিভিন্ন সময় খবরের পাতায় দেখবেন যে, মুখের ব্রণ দূর করার ক্রিম গুলো বিষাক্ত পদার্থ দিয়ে বিভিন্ন কুচক্র মহল তৈরি করছে এবং সেগুলোই বাজারজাত করছে। যাইহোক, আপনি যদি ফোঁড়া বা ব্রণ দূর করার ক্রিম ব্যবহার করেন, তবে অবশ্যই পরিচিত এবং ট্রাস্টেড দোকান থেকে ক্রয় করবেন।

ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায়

ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার ঘরোয়া উপায় জানুনঃ

() ফোঁড়া ও ব্রণ শরীরে বসিয়ে দিতে গম, যব ও মুগ সিদ্ধ করে ভালোভাবে পিষে ফোঁড়া ও ব্রণের আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে বিলয়প্রাপ্ত হবে।

(২) চিরতা, নিমছাল, যষ্টিমধু, মুতা, বাসকছাল, পল্তা, ক্ষেত পাপড়া, বেনারমূল, ত্রিফলা, ইন্দ্রযবের ক্বাথ পান করলে সর্বপ্রকার ব্রণ প্রশমিত হয়।

(৩)  ছোট গোয়ালের পাতা ভালোভাবে পিষে ফোঁড়া ও ব্রণের আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে খুব দ্রুত ফোঁড়া ও ব্রণ পাকে, ফাঁটে ও পুঁজ নিঃসারিত হয়।

(৪) ফোঁড়া ও ব্রণের আক্রান্ত স্থানে শজিনা মূলের ছাল বেটে প্রলেপ দিলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

(৫) রক্ত চন্দন, নাগেশ্বর, অনন্তমূল, ক্ষুদে নটে, শিরিছাল, জাতাপুষ্প ও মুতার ক্বাথ পান করলে ব্রণের দাহ প্রশমিত হয়।

(৬) গুলঞ্চ, পলতা, চিরতা, বাসকছাল, নিমছাল, ক্ষেত পাপড়া, খদিরকাষ্ঠ ও মুতার ক্বাথ পান করলে ব্রণের জ্বরাদি প্রমমিত হয়।

(৭) হাগর মালীর আঠা (Vallaris Heyni) দ্বারা পলেপ দিলে দীর্ঘকাল উৎপন্ন ক্ষতও প্রশমিত হয়।

(৮) উচ্ছে পাতা, তুলসী পাতা ভালোভাবে বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে ক্ষত নষ্ট হয়ে যায়।

(৯) ব্রণ রাক্ষসী তেল: এটা সর্বপ্রকার বিদ্রধি ও ব্রণের মহেীষধ।

(০) সচ্চ পানি দিয়ে বেশী বেশী মুখ ধৌত করা। ( এজন্য ওজু হতে পারে সবচেয়ে বড় একটি প্রচেষ্টা, এটি পরীক্ষিত একটি বিষয়।)

এগুলো ছাড়াও ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায় রয়েছে। পরবর্তী আপডেটে সংযোজন করা হবে ইনশাআল্লাহ।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথাঃ

ফোঁড়া বা ব্রণে যদি তীব্রতর ব্যথা হয় তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কখনই অবহেলা করবেন না। কেননা ছোট রোগ থেকেই বড় রোগের জন্ম হয়। টেনশন কম করুন। বেশী গরমে নিজেকে শীতল রাখার চেষ্টা করুন। সবসময় স্বাভাবিক থাকতে চেষ্টা করুন। পরিস্কার পানি দিয়ে গোসল করুন। পরিস্কার পরিছন্ন থাকুন। বেশি বেশি পানি পান করুন। সময় মত ঘুমান। ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠুন। গরমে বেশি বেশি লেবুর শরবত পান করুন।

আমি আশা করছি, ফোঁড়া ও ব্রণ দূর করার উপায় জেনে আপনি উপকৃত হয়েছেন। পরবর্তীতে কোন বিষয়ের আর্টিকেলে চান? কমেন্ট করুন। আইটি নির্মাণ এর ইংরেজি ভার্সন পড়তে ভিজিটি করুনঃ ItNirman English -পাশে থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Add comment

error: Content is protected !!