রমজানের গুরুত্ব

মুমিন বান্দার কাছে রমজান মাসের গুরুত্ব কেমন হওয়া উচিত?

মক্কার কাফেরদের নির্মম অত্যাচারে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মাদিনায় হিজরত করেন। আর এই হিজরতকেই কেন্দ্র করে হিজরি সনের সূচনা হয়। তখন থেকেই আরবি মাস গণনা শুরু। রমজান হলো আরবি মাসের নবম মাস। এই মাসে ঘটেছে মহান আল্লাহর পক্ষহতে অগণিত অলৌকিক ঘটনা। যার কারণে প্রতিটা আদম সন্তানের কাছে অন্যান্য মাস অপেক্ষা রমজান মাসের গুরুত্ব অনেক বেশি।

রমজান মাসকে বিশেষ কিছু মর্যাদার মাধ্যমে বিশেষিত করা হয়েছে। উল্যেখযোগ্য কারণসমূহ : ১| রমজান মাসেই নাজিল হয়েছিল স্রষ্টা প্রদত্ত আসমানি গ্রন্থ আল-কুরআন। ২| আল্লাহ তা’আলার বিশেষ হুকুম মাসব্যাপী ফরজ রোজার মাধ্যমে। ৩| হাজার মাসের চেয়ে অধিক উত্তম একটি মহিমান্বিত রাত লাইলাতুল ক্বদর এর মাধ্যমে। (আলহামদুলিল্লাহ!)

তাছাড়া আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া-তা’আলা রমজান মাসে আস্তিক বান্দাদের প্রতিটা পূণ্যকাজের সওয়ার সত্তর গুণ বৃদ্ধি করে দেন। প্রতিদিন অগণিত জাহান্নামিকে ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়। জান্নাতের সকল দরজা খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের সকল দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিশপ্ত শয়তানকে শিকলে বেঁধে ফেলা হয়। ( সুবহানাল্লাহ!)

একজন মুমিন বান্দার কাছে এই মাস যে কতটা প্রিয়, শুধু তারাই অনুভব করতে পারবে যারা মুমিন! একজন কৃষক যেভাবে তার ফসল ঘরে আনার জন্য ব্যকুল হয়ে থাকে, ঠিক তেমনীভাবে হৃদয়ের সবটুকু আবেগ ও ভালোবাসা নিয়ে এই মাসের জন্য অপেক্ষা করে একজন মুসলমান। কখন আসবে…!

তাই রজব মাস থেকেই রমজানের জন্য বিভোর হয়ে আছি আমরা সকলেই। মুখে মুখে বলছি ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া-শা’বান, ওয়া-বাল্লিগনা রমাজান’। মহান আল্লাহর দরবারে অসংখ্য শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি, তিনিই তো আমাদের কে এই রমজান মাসে পৌঁছার তাওফিক দান করেছেন। ( আলহামদুলিল্লাহ!) মহান আল্লাহ সবাইকেই রমজানের কামিয়াবী দান করুন। আমিন!

আরো আর্টিকেল পড়ুন:

Add comment