WordPress Security Plugin

Best WordPress Security Plugin | ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের কিছু জনপ্রিয় সিকিউরিটি প্লাগইন

যিনি ওয়েবসাইট পরিচালনা করে তাকে বলা হয় ওয়েব মাস্টার। একজন ওয়েব মাস্টারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তার ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত রাখা। ওয়েবসাইট সুরক্ষিত রাখার মানে হলো ডেটাবেজকে সুরক্ষিত রাখা।

একটি ওয়েবসাইটরে অগণিত তথ্যের সমন্বয়ে একটি ডেটাবেজ তৈরি হয়। আর সেই ডেটাবেজকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব হলো একজন ওয়েব মাস্টারের। ওয়েবসাইটকে সুরক্ষিত রাখার অনেক নিয়ম আছে। তারমধ্যে একটি বিশেষ নিয়ম হলো কোনো সিকিউরিটি প্লাগইন দ্বারা ওয়েবসাইট সিকিউর করা।

বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, নতুন ওয়েব মাস্টাররাই না বুঝার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয় বেশী। তাই নতুন ওয়েব মাস্টারদের জন্য আজকের এই লেখনীটি বিশেষ কাজে আসবে।

সিকিউরিটি প্লাগইনের মধ্যে ফ্রি এবং পেইড ভার্সন আছে। ফ্রি প্লাগইন গুলো সাধারণত সবাই ব্যবহার করে। আর পেইড প্লাগইন গুলো সচারাচর সবাই ব্যবহার করতে পারে না যথেষ্ট বাজেট না থাকার কারণে। ফ্রি ও পেইড প্লাগইন গুলোর মধ্যে বেশি ব্যবধান থাকে না।

তবে পেইড প্লাগইন গুলোতে ফিচার একটু বেশি থাকে। ফ্রি প্লাগইনের সাহায্যেই ওয়েবসাইটকে অনেক সিকিউর করা যায়। অন্তত ডেটাবেজ সুরক্ষিত রাখা ও হ্যাকারের আক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

কিছু ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইনের নাম নিচে তুলে ধরা হলো। এই প্লাগইন গুলোর ফ্রি ও প্রো ( পেইড ) ভার্সন আছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি সিলেক্ট করতে পারেন।

1. Sucuri

2. iThemes Security

3. Wordfence

4. All In One WP Security

5. Anti-Malware Security

উপরোল্লিখিত প্লাগইন গুলোর মধ্যে যে কোন এক বা একাধিক প্লাগইন ব্যবহারে ওয়েবসাইট সিকিউরিটি বা ডেটাবেজ সিকিউরিটিকে আরো সমৃদ্ধশালী করা যাবে। এই প্লাগইন গুলোর অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে। একটি প্লাগইনের সকল সুবিধা পেতে পেইড ভার্সন ইউজ করতে হবে। তবে নতুন ওয়েব মাস্টারদের জন্য ফ্রি ভার্সনই যথেষ্ট মনে করি।

ওয়েবসাইট সিকিউরিটির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, কখনো ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কারো কাছে শেয়ার না করা। এগুলো মেনে উপরের প্লাগইন লিস্ট থেকে যে কোনো একটা প্লাগইন ব্যবহার করলেই ওয়েবসাইট সিকিউর হয়ে যাবে।

এই প্লাগইন গুলোর অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে। যে কোন একটা প্লাগইনকে পুরোপুরি সেটিং করতে পারলে কেউ কখনো ওয়েবসাইটকে হ্যাক করতে পারবে না। ওয়েবসাইটে যদি কখনো ভাইরাস প্রবেশ করে সেই সিকিউরিটি প্লাগইন গুলো অটোমেটিক্যালি স্কেন করে ভাইরাস মুক্ত করে ডেটা সুরক্ষিত রাখবে।

প্লাগইন এক্টিভ থাকাকালে অবৈধভাবে কেউ কখনই ওয়েবসাইটের ডেশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবে না। আরো অনেকভাবেই প্লাগইন গুলো আপনার ওয়েবসাইটকে সাপোর্ট দেবে।

======>> আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

5 comments